1. smsitservice007gmail.com : admin :
তানোরে ওয়াটার লর্ডদের দৌরাত্ম্যে অসহায় কৃষক - সতেজ বার্তা ২৪
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা দেবোত্তর সম্পত্তি আত্মসাৎ ও শিব লিঙ্গ বিক্রির অভিযোগ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকের ডিগবাজি না’কি বিদ্রোহ? সাভারে মাদকের সয়লব , এক নজরে মাদক গ্যাং রাজশাহী আওয়ামী  প্রকাশ্যে বিভক্তির আভাস দায়ী কে ? তানোরে ৩টি পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুন মেধাবী যুবনেতা সাইফুল ইসলাম শাকিল তানোরে প্রবেশপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে দানিয়াল নামের এক যুবককে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা..! তানোরে দোকানের সামনে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা

তানোরে ওয়াটার লর্ডদের দৌরাত্ম্যে অসহায় কৃষক

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৩
  • ৮৪ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) গভীর নলকুপের একশ্রেণীর অপারেটর।এরা  এলাকায় ওয়াটার লর্ড (জল জমিদার) হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক বিবেচনা ও আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে দায়িত্ব পাওয়া অপারেটরগণ (জল জমিদার) কৃষকের কাছে মুর্তিমান আতঙ্ক হয়ে উঠেছে। গভীর নলকুপ স্কীমের জমি সাধারণ কৃষকের, রাজত্ব এসব অপারেটরদের।
জানা গেছে, প্রতিবছর আলু মৌসুমে কৃষকের ইচ্ছের বিরুদ্ধে তাদের জমি ফড়িয়া আলুচাষিদের ইজারা দেয় অপারেটরেরা। কেউ ইজারা দিতে না চাইলে তার জমিতে সেচ বন্ধ করে দেয়। এতে কৃষকেরা বাধ্য হয় অপারেটরের কাছে জমি দিতে। কিন্ত্ত অপারেটরেরা প্রতি বিঘা জমি ১৬-১৮ হাজার টাকায় ইজারা দেন। আর জমির মালিককে ১০-১২ টাকা দেন। এটা অঘোষিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। এসব কারণে কৃষকের কাছে আর্শিবাদের গভীর নলকুপ  অভিশাপ হয়ে শাঁখের করাঁতে পরিণত হয়েছে। কারণ একদিকে গভীর নলকুপ স্কীমে জমি চাষ করলে অপারেটরেরা শোষণ করে, অন্যদিকে জমি চাষ না করলে খাবারসহ আর্থিক সংকটে পড়ে।এদিকে এসব অপারেটরদের কারণে কৃষিবান্ধব আওয়ামী লীগ সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সচেতন মহল এসব অপারেটরদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বিএমডিএ’র গভীর নলকূপ রয়েছে ৫৩৬টি এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন রয়েছে ১৬টি, মোট ৫৫২টি। উপজেলায় আবাদ যোগ্য জমি রয়েছে ২৩ হাজার ৯৯৩ হেক্টর। সেচের আওতায় ২২ হাজার ৩৩২ হেক্টর জমি। অগভীর বিদ্যুৎ চালিত সেচ যন্ত্র রয়েছে ৪১১টি।
সুত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাদ হয়। অন্যদিকে একটি গভীর নলকুপ স্কীমে দেড়শ’ থেকে আড়াইশ” বিঘা জমিতে আলুচাষ হয়। সেই হিসেবে একজন অপারেটর কৃষকের জমি ইজারা দিয়ে প্রায় ৫-৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। আর এই কারণে দুই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ করে গভীর নলকুপের অপারেটর হয়।
এদিকে উপজেলার কামারগাঁ ইউপির ধানুরা, চকসাজুড়িয়া, মাতারীপুর,
মালশিরা, হাতিশাইল, ছাঐড়,হরিপুর, তালন্দ ইউপির নারায়নপুর,আড়াদীঘি, মোহর,লালপুর, সরনজাই ইউপির শুকদেবপুর, কাচারিপাড়া, সরনজাই, পাঁচন্দর ইউপির ইলামদহী, দুবইল, কৃষ্ণপুর, চিমনা, কুন্দাইন ও প্রাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কৃষকের সঙ্গে কথা বলা হলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক
কৃষক বলেন, একটি গভীর নলকূপ স্কীমে দেড়শ’ থেকে আড়াইশ’ বিঘা আলু চাষ হয়। একজন অপারেটর প্রতিবিঘা জমি ইজারায় ২-৪ হাজার টাকা করে আত্মসাৎ করেন।
স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী কৃষকের দুঃখ-দুরদশা লাঘবের জন্য সকল গভীর নলকুপ সমিতির মাধ্যমে পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএমডিএ’র উর্ধতন কর্তৃপক্ষেরও নির্দেশনা রয়েছে।কিন্ত্ত অজ্ঞাত কারণে এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে না। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর বিএমডিএ’র  সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, জমি লীজ কিভাবে হবে এসব তার দেখার বিষয় না। তার পরেও কোনো কৃষক লিখিত অভিযোগ করলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#
এ জাতীয় আরও খবর
Translate »