1. smsitservice007gmail.com : admin :
তানোর আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান সময়ের দাবি  - সতেজ বার্তা ২৪
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকের ডিগবাজি না’কি বিদ্রোহ? সাভারে মাদকের সয়লব , এক নজরে মাদক গ্যাং রাজশাহী আওয়ামী  প্রকাশ্যে বিভক্তির আভাস দায়ী কে ? তানোরে ৩টি পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুন মেধাবী যুবনেতা সাইফুল ইসলাম শাকিল তানোরে প্রবেশপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে দানিয়াল নামের এক যুবককে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা..! তানোরে দোকানের সামনে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা ২০ বছর পাড় হয়নি ধর্ষন, মাদক সহ ২৪টি মামার আসামি ইয়াবা সুন্দরীর ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার তানভীরের. রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনে এক ডজন নেত্রী আলোচনায় মর্জিনা

তানোর আওয়ামী লীগে শুদ্ধি অভিযান সময়ের দাবি 

আলিফ হোসেন,তানোরঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৪
  • ৬৭ বার পঠিত

রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী
 লীগে শুদ্ধি অভিযান সময়ের দাবিতে পরিণত হয়ে উঠেছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভয়াবহ নৌকাডুবির পর শুদ্ধি অভিযানের দাবী আরো জোরালো হয়ে উঠেছে। তৃণমুলের অভিমত,শুদ্ধি ব্যতিত এই আওয়ামী লীগ দিয়ে আগামিতে ভালো কিছু প্রত্যাশা করা যায় না। বিশেষ করে কদিন পরেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে ভালো কিছু করতে চাইলে। দলে শুদ্ধি অভিযান দিয়ে গ্রহণযোগ্যহীন, বির্তকিত-বগী আওয়াজধারী জনবিচ্ছিন্নদের চিহ্নিত ও ছুড়ে ফেলে গ্রহণযোগ্যদের দায়িত্ব দিতে হবে। ব্যতিক্রম হলে উপজেলা নির্বাচনে আরো বড় ধরণের পরাজয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে  যেখানে এমপির নিজ উপজেলা তানোরে নৌকার জয়জয়কার হবার কথা সেখানে নৌকার স্মরণকালের সর্ববৃহত ভরাডুবি ঘটেছে। অন্যদিকে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেও নৌকার এমন ভরাডুবির ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় সৃস্টি হয়েছে, দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, বইছে নানা মুখরুচোক গুঞ্জন, প্রতিনিয়ত এসব গুঞ্জনের ডালপালা মেলছে, চলছে নানা বিশ্লেষণ। কারা ভোটের মাঠের প্রকৃত চিত্র এমপির কাছে গোপণ করেছিলেন। তবে তারা কি এমপির পরাজয় আশা করেছিলো ইত্যাদি নিয়েও কানকথা হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, এমপি ফারুক চৌধুরী একজন আদর্শিক, পরিক্ষিত হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতা। দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের কাছে এখানো তিনি সমান জনপ্রিয়। তিনি যেমন সব মানুষের উপকার করতে পারেননি এটা যেমন সত্য, তেমনি তার দ্বারা কোনো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি সেটিও পরম সত্যি।
এমপির ওপর এসব সাধারণ মানুষের তো কোনো অভিযোগ নাই। এখন প্রশ্ন হলো তাহলে কেনো ও কাদের উপর অভিমান করে সাধারণ মানুষ নৌকার বিপক্ষে ভোট দিলেন। এটা অনুসন্ধান করে দায়ীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা সময়ের দাবি। তৃণমূলের ভাষ্য,
যেখানে এই আওয়ামী লীগ নিয়ে এমপি ফারুক চৌধুরী নৌকা প্রতিকে স্বতন্ত্র কাঁচি প্রতিকের দুর্বল প্রার্থী গোলাম রাব্বানীর কাছে পরাজিত হয়েছেন, সেখানে উপজেলা নির্বাচনে কিভাবে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবেন। তারা বলেন, দলে শুদ্ধি অভিযান দিয়ে এদের চিহ্নিত ও ছুড়ে ফেলা সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের যে উন্নয়ন ও অর্জন এবং বিশাল কর্মী বাহিনী ও নিজস্ব ভোট ব্যাংক রয়েছে, তাতে তো তাদের পরাজয়ের প্রশ্নই উঠে না। তাহলে কাদের জন্য নৌকার পরাজয় ঘটলো ? রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, সংসদ নির্বাচনে অনেক দায়িত্বশীল নেতার নিজ ভোটকেন্দ্রে দুর্বল প্রার্থীর কাঁচি  প্রতিকের কাছে নৌকা প্রতিকের ভরাডুবি হয়েছে, কেনো হয়েছে, কাদের ষড়যন্ত্রে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে,কারা ভোটের মাঠের প্রকৃত চিত্র গোপণ করেছে ইত্যাদি এসব নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় চলছে, দাবী উঠেছে এসব বেঈমান-বিশ্বাসঘাতক যারা আওয়ামী লীগের চাদর গায়ে দিয়ে প্রতিপক্ষের হয়ে কাজ করেছে এদের দল থেকে ছুড়ে ফেলে আদর্শিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা ব্যতিত বিকল্প নাই। এব্যাপারে একাধিকবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলেও তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ জাতীয় আরও খবর
Translate »