1. smsitservice007gmail.com : admin :
তানোরে এক বাজারেই ১০টি অবৈধ ফার্মেসী প্রশাসন নিরব ! - সতেজ বার্তা ২৪
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকের ডিগবাজি না’কি বিদ্রোহ? সাভারে মাদকের সয়লব , এক নজরে মাদক গ্যাং রাজশাহী আওয়ামী  প্রকাশ্যে বিভক্তির আভাস দায়ী কে ? তানোরে ৩টি পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুন মেধাবী যুবনেতা সাইফুল ইসলাম শাকিল তানোরে প্রবেশপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে দানিয়াল নামের এক যুবককে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা..! তানোরে দোকানের সামনে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা ২০ বছর পাড় হয়নি ধর্ষন, মাদক সহ ২৪টি মামার আসামি ইয়াবা সুন্দরীর ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার তানভীরের. রাজশাহীতে সংরক্ষিত আসনে এক ডজন নেত্রী আলোচনায় মর্জিনা

তানোরে এক বাজারেই ১০টি অবৈধ ফার্মেসী প্রশাসন নিরব !

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৮২ বার পঠিত

 

রাজশাহীর তানোরে ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন অবৈধ ফার্মেসীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। একশ্রেণীর ব্যবসায়ী উপজেলা সদর থেকে শুরু করে গ্রামের আনাচে কানাচে ড্রাগ লাইসেন্সবিহীন ওষুধের ব্যবসা করছে। অধিকাংশ ফার্মেসীতে  অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিন্মমাণের,

মেয়াদোত্তীর্ণ, যৌনউত্তেজক, নেশা জাতীয় ওষুধ ও ফুড সাপ্লিমেন্ট। একশ্রেণীর ফার্মেসী মালিক চিকিৎসক পরিচয়ে

স্বাস্থ্য অসেচতন সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। এমনকি  জীনবনরক্ষাকারী ওষুধের নামে প্রতিদিন ক্ষতিকর ওষুধ অবাধে বিক্রি করছে। অল্প পুঁজিতে অধিক মুনাফা হওয়ায় এলাকার যুবকেরা ফার্ম্মেসী ব্যবসার দিকে ঝুঁকছেন। ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ফাম্মের্সীর সংখ্যা। অন্যদিকে ফার্ম্মেসীগুলোর লাইসেন্স না থাকায় সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) এক মাদারিপুর বাজারে ১০টি ও  দমদমা মোড়ে ৩টি ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ওষুধের দোকান রয়েছে। লাইসেন্সবিহীন ফার্মেসীগুলোর মধ্যে মাদারীপুর বাজারের সবুজ ফার্মেসী, সফিকুল,  সন্জিৎ, হাকিম, মামুন ও রিনতি ফার্মেসী অন্যতম।

সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, ফার্মেসী ব্যবসার জন্য ড্রাগ লাইসেন্স ও সনদপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক হলেও তা মানা হচ্ছে না। অল্প শিক্ষিত ও ওষুধ সম্পর্কে সীমিত ধারণাসম্পন্ন লোকবল দিয়েই চলছে এসব ফার্মেসী ব্যবসা। চিকিৎসার নামে দেয়া হচ্ছে অনুমান নির্ভর অপচিকিৎসা।ভোক্তাদের প্রয়োজন ও আর চাহিদা বুঝে অধিকাংশ ফার্মেসী মালিক ওষুধের অযৌক্তিক দাম আদায় করছেন বলেও একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে। অধিকাংশক্ষেত্রে চিকিৎসক পরিচয়ের এসব ওষুধ ব্যবসায়ীর দেওয়া উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক সেবনে হিতে বিপরীত হচ্ছে। ফলে রোগ নিরাময়ের পরিবর্তে আরও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এতে আর্থিক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন অনেক রোগী ও তাদের পরিবার। এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (টিএইচও) বার্নাবাস হাসদাক বলেন, এসব বিষয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

এ জাতীয় আরও খবর
Translate »