1. smsitservice007gmail.com : admin :
কেশরহাট স্কুলের প্রধান শিক্ষককে উত্তম-মধ্যম - সতেজ বার্তা ২৪
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে সাংবাদিকদের ওপর হামলা দেবোত্তর সম্পত্তি আত্মসাৎ ও শিব লিঙ্গ বিক্রির অভিযোগ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকের ডিগবাজি না’কি বিদ্রোহ? সাভারে মাদকের সয়লব , এক নজরে মাদক গ্যাং রাজশাহী আওয়ামী  প্রকাশ্যে বিভক্তির আভাস দায়ী কে ? তানোরে ৩টি পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুন মেধাবী যুবনেতা সাইফুল ইসলাম শাকিল তানোরে প্রবেশপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে দানিয়াল নামের এক যুবককে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা..! তানোরে দোকানের সামনে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা

কেশরহাট স্কুলের প্রধান শিক্ষককে উত্তম-মধ্যম

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১৬৩ বার পঠিত

 

তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ


রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বর থেকে জালিয়াতি করে টাকা উত্তোলন করতে গিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছে কেশরহাট স্কুলের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম। অপরদিকে, তার বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে।

গত ১ অক্টোবর রোববার দুপুরে অগ্রণী ব্যাংক কেশরহাট রায়ঘাটী শাখায় এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর রোববার দুপুরে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নামে একটি চেকে ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য অগ্রণী ব্যাংকের অনুকূলে সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত একটি চেক দাখিল করেন প্রধান শিক্ষকের শ্যালক ব্যবসায়ী হাসানের কর্মচারী দেবাশিশ। কিন্ত্ত ওই চেকের লেখার মধ্যে ভিন্নতা পেয়ে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ব্যাংক ব্যবস্থাপক বিদ্যালয়ের সভাপতি রুস্তম আলী প্রামাণিককে অবগত করেন। এ সময় রুস্তম আলী ওই চেকের টাকা না দেয়ার অনুরোধ করে দ্রুত ব্যাংকে যান। সেখানে গিয়ে চেকের মুড়িতে লেখা শুধু ৯৩ হাজার টাকা এবং মুল চেকে ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা লেখা দেখতে পায়।

এই জালিয়াতির কারণ জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক সদোত্তোর দিতে না পারলে স্থানীয়রা তাকে (কিল-ঘুষি ও লাথি মারে) শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। এসময় ব্যাংক শাখায় চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে মোহনপুর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে। এবিষয়ে অগ্রণী ব্যাংক রায়ঘাটী শাখা ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান বলেন, ওই চেক ব্যাংকে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার পর চেকের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সেখানে মারপিটের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি। এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম  বলেন, এই চেকের বিষয়ে সম্পূর্ণ জেনে সভাপতি স্বাক্ষর করেন। আমি থাকা অবস্থায় সভাপতি লোকজনকে নিয়ে ব্যাংকে ঢুকে আমাকে লাঞ্চিত করেছেন। আমি মর্মাহত। এবিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি (সাবেক) প্যানেল মেয়র রুস্তম আলী প্রামাণিক বলেন, প্রধান শিক্ষক যেহেতেু দুর্নীতিগ্রস্ত এজন্য ব্যাংক ম্যানেজারকে আগে থেকেই বিদ্যালয়ের যে কোনো চেক পেলে আমাকে জানানোর জন্য অবগত করে রেখেছিলাম। তিনি বলেন, আমি ৯৩ হাজার টাকার চেকে একাধিক লোকের সামনে স্বাক্ষর করেছি। প্রধান শিক্ষক সেই চেকে ৯৩ হাজার টাকার আগে কৌশলে ৫ লাখ যুক্ত করে ৫ লাখ ৯৩ হাজার টাকা করেন। চেকটির টাকা তুলতে পাঠান প্রধান শিক্ষকের শ্যালক ব্যবসায়ী হাসানের কর্মচারী দেবা শিশকে। চেকে পাঁচ লাখ লেখাটি ভিন্নরকম ছিল। এজন্য ব্যাংক ম্যানেজারের সন্দেহ হলে তিনি আমাকে ফোন দেন। ম্যানেজারকে টাকা দিতে নিষেধ করে দ্রুত ব্যাংকে যায়। প্রধান শিক্ষককে জালিয়াতি কেন করেছেন জানতে চাইলে তিনি সদোত্তর দিতে পারেন নি। এসময় ব্যাংক ম্যানেজারকে ব্যবস্থা নিতে বলে আমি চলে আসি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। তিনি অনিয়মের কথা শিকার করে মুক্তি পান। তবে প্রধান শিক্ষককে আমি শারিরিকভাবে লাঞ্চিত করি নি বলে দাবী করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি রুস্তম আলী প্রামাণিক। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট সোমবার সকালে প্রধান শিক্ষকের অপসারণের দাবিতে কেশরহাট বাজার বনিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিঠুর নেতৃত্বে এলাকাবাসী বিক্ষোভ ও  মানববন্ধন করেন। এতে প্রধান শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং প্রতিশোধ নিতে তিনি কৌশলে মিঠুকে তার অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে তার ক্যাডার বাহিনী ওই এলাকার মৃত মকবুল হোসেনের পুত্র মহসীন আলী, আক্তারুল ইসলাম ও মনাকে দিয়ে হাবিবুর রহমান মিঠুকে  হাতুড়ি পেটা করে। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেন কর্তৃপক্ষ। কিন্ত্ত শফিকুল ইসলাম সেই নোটিশ গ্রহন না করে তার বেপরোয়া আচরণের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। তবে কারণ দর্শানোর নোটিশ সম্পর্কে প্রধান শিক্ষক বলেন, তারা আমার অনুপস্থিতেই কমিটির মিটিং করে নীতিমালা বহির্ভুত ভাবে আমাকে নোটিশ প্রদান করেছেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিচালনা নীতিমালা ৩৩/৩ ধারা লংঘন করা হয়েছে। ৩৬/২ ধারা অনুযায়ি এ সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যাবে। এজন্য আমি নোটিশ গ্রহণ করিনাই।

এ জাতীয় আরও খবর
Translate »