1. smsitservice007gmail.com : admin :
জামায়াত কেন হঠাৎ মাঠে - সতেজ বার্তা ২৪
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দেবোত্তর সম্পত্তি আত্মসাৎ ও শিব লিঙ্গ বিক্রির অভিযোগ ছাত্রলীগের সভাপতি আতিকের ডিগবাজি না’কি বিদ্রোহ? সাভারে মাদকের সয়লব , এক নজরে মাদক গ্যাং রাজশাহী আওয়ামী  প্রকাশ্যে বিভক্তির আভাস দায়ী কে ? তানোরে ৩টি পাকা রাস্তা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ভোলার লালমোহন উপজেলার ৭নং পশ্চিম চর উমেদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তরুন মেধাবী যুবনেতা সাইফুল ইসলাম শাকিল তানোরে প্রবেশপত্র আটকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ চাষাড়ায় ফিল্ম স্টাইলে কুপিয়ে দানিয়াল নামের এক যুবককে হত্যা করলো দুর্বৃত্তরা..! তানোরে দোকানের সামনে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রতিবন্ধকতা ২০ বছর পাড় হয়নি ধর্ষন, মাদক সহ ২৪টি মামার আসামি ইয়াবা সুন্দরীর ছেলে কিশোর গ্যাং লিডার তানভীরের.

জামায়াত কেন হঠাৎ মাঠে

সতেজ বার্তা ২৪ ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ জুন, ২০২৩
  • ৫৬ বার পঠিত

দীর্ঘ এক দশক পর রাজধানীতে প্রকাশ্যে সমাবেশ করল নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন হারানো জামায়াতে ইসলামী। চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনসহ নানা দিক দিয়ে চাপে থাকা সরকার কি বাধ্য হয়েই জামায়াতের প্রতি নমনীয় হয়েছে, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো সমীকরণ আছে? এ নিয়ে সবারই প্রশ্ন জামায়াত কেন হঠাৎ মাঠে। প্রসঙ্গত, সর্বশেষ ২০১৩ সালের ৪ মার্চ মতিঝিলে প্রকাশ্যে সমাবেশ করে জামায়াতে ইসলামী।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক যুগ ধরে বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতারা দল হিসেবে জামায়াতকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ আখ্যায়িত করে নিষিদ্ধ করার দাবি করেছেন। বলেছিলেন, জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা শুধু সময়ের ব্যাপার মাত্র। নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন হারানো সেই জামায়াত আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে হঠাৎ প্রাকাশ্যে সরব হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, দলটিকে হঠাৎ প্রকাশ্যে সমাবেশ করতে প্রশাসনের অনুমতি দেওয়ার নেপথ্যে কী কারণ? তারা বলছেন, যেহেতু বাংলাদেশের সংবিধানে কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন না থাকলেও সভা-সমাবেশ করার স্বাধীনতা রয়েছে, সেহেতু নিবন্ধন হারানো জামায়াতকে সমাবেশ করতে দিয়ে সরকার দেশবিদেশে এই বার্তা দিতে চাইছে যে, সরকার দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে অবাধে সভা-সমাবেশ করতে দিচ্ছে। এখানে সরকারের অহেতুক কোনো হস্তক্ষেপ নেই। এদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা হঠাৎ করে মাঠে সরব হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছরের শেষে অথবা আগামী বছরের প্রথম দিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতকে প্রকাশ্যে সমাবেশ করতে দেওয়া সরকারের কোনো কৌশলের অংশও হতে পারে। এমন কথাও শোনা যাচ্ছে, নির্বাচন সামনে রেখে ক্ষমতাসীন মহলের সঙ্গে জামায়াতের একটা সমঝোতা হয়েছে, বিএনপি নির্বাচনে না গেলে জামায়াতকে নির্বাচনে এনে ভোটের মাঠের শূন্যস্থান পূরণ করা যায়। এ ছাড়া একাধিক নামে নিবন্ধন পাওয়া জামায়াত-সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে ভোটের মাঠে লড়তে পারবে। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধসহ নানা কারণে কোণঠাসা জামায়াত প্রায় এক যুগ প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ পায়নি। একই সময়ে ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ জেলা কিংবা উপজেলা পর্যায়ের অফিসগুলোও তালাবদ্ধ রয়েছে। এ সময়ে রাজনৈতিকভাবে তাদের তেমন কোনো প্রকাশ্য কর্মসূচিও ছিল না। তবে যখনই সুযোগ পেয়েছে তখনই দলের কর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেছেন। ঘরোয়াভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা মিটিং করেছেন। আবার এ ধরনের অনেক মিটিং থেকে জামায়াতের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের ঘটনাও ঘটেছে।

জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন এমন এক বিশ্লেষক বলেন, নির্বাচনের কয়েক মাস আগে জামায়াত তাদের একটা অবস্থান তুলে ধরতে চেয়েছিল এবং এই সমাবেশের মাধ্যমে তারা সেটি করতে পরেছে। সরকারের পূর্বানুমতি নিয়ে সমাবেশ করায় একদিকে সরকার মনে করছে, জামায়াত তাদের বোঝাপড়ার মধ্যেই থাকবে। অন্যদিকে বিএনপিসহ বিরোধীরা ভাবতে পারে, জামায়াতের শক্তি কমেনি। ফলে রাজনৈতিক কৌশল থেকে জামায়াত একটা নিজস্ব অবস্থান তুলে ধরল। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মু. আতাউর রহমান সরকার বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, আওয়ামী লীগ একটা ফ্যাসিবাদী দল। এদের হাত মজলুম মানুষের রক্তে রঞ্জিত। তাদের সঙ্গে আপসের প্রশ্নই আসে না। তিনি বলেন, সভা-সমাবেশ করা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। ১৩ বছর ধরে তাদের প্রকাশ্যে কোনো সমাবেশ করার অনুমতি না দিয়ে সরকার জুলুম করেছে। অধিকারহারা মানুষের চাপ, আন্তর্জাতিক পরিম-লে বিতর্কিত হওয়ার ভয় এবং সরকারের বোধোদয় হয়েছে যে, জামায়াতকে অনুমতি দেওয়া দরকার। তখনই অনুমতি দিয়েছে সরকার। জামায়াতের সমাবেশ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এই সরকার অনেক দিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দিচ্ছে না, বাধা দিচ্ছে। আমরাও তার শিকার। এখন জামায়াতকে তারা অনুমতি দিয়েছে। কেন এতদিন সমাবেশ করতে দেয়নি, এখন আবার কেন দিল এটা সরকারই ভালো বলতে পারবে। এদিকে ঢাকায় পুলিশের একটি অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান জামায়াতকে সমাবেশের অনুমতি প্রসঙ্গে বলেন, জামায়াত একটি অনিবন্ধিত দল। তারা মাঝেমধ্যেই বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে অনুষ্ঠান করে। ইনডোরেও তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে। দলটি উন্মুক্ত স্থানে অনুষ্ঠান করবে বলে অনুমতি চেয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল। কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়নি। দলটি ইনডোরে মিটিং করতে চেয়েছে, তাও অনুমতি পায়নি। পরে মৌখিকভাবে ডিএমপি কমিশনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুমতি দিয়েছেন। এতে জামায়াত প্রসঙ্গে সরকারের নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এ জাতীয় আরও খবর
Translate »