1. admin@sotejbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাতারের মসজিদগুলিতে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
সংবাদ শিরোনাম:
কাতারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কোভিক-১৯ ভ্যাকসিনেশন সেন্টার কাতারের শুরা কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া অব্যহৃত রেখেছে কাতার সরকার সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না সারাদেশে নোকিয়া মার্কেট এক্সপ্রেসে’র এর কর্মীরা। অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারী ও রিক্সা উদ্ধার কাতারে QID সংক্রান্ত অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সুখবর ঘোষনা দিল কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারে গতবছরের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে চলেছে পর্যটকের সংখ্যা ফিফা ফুটবল কোর্টের বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য রায়পুরায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ পালিত

 260 total views,  196 views today

সাভারের হেমায়েতপুরের ট্যানারিপল্লি বন্ধের নোটিশ

মো: শামীম আহমেদ
  • আপডেট সময়: শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৫ বার পঠিত

সাভারের হেমায়েতপুরের ট্যানারিপল্লিকে পরিবেশ ধ্বংসকারী উল্লেখ করে কেন এটি বন্ধ করা হবে না, এর ব্যাখ্যা বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) কাছে চেয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

 

ছবি: ট্যানারির বর্জ্য

এই সিদ্ধান্তকে যুগান্তকারী হিসেবে দেখছে দেশের পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো। তারা বলছে, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না। তবে এটি বন্ধ করে দেওয়াই সমাধান নয়; বরং দূষণমুক্ত করাটা জরুরি। কেননা, হাজারীবাগ থেকে সাভারে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই দেশের চামড়াশিল্প ধুঁকছে। এখন এটি বন্ধ করে দিলে এই খাতটি ধ্বংস হয়ে যাবে। বিশ্ববাজার হারাবে বাংলাদেশ। কয়েক লাখ মানুষ কর্মহীন হয়ে যাবে। দেশ হারাবে বৈদেশিক মুদ্রা।

পরিবেশবাদীদের অভিযোগ, বিসিককে দায়িত্ব দেওয়ার পর কথা ছিল তারা এটি নির্মাণের আগে একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা করেনি। ফলে এটি বন্ধের দাবি উঠেছে। তবে বন্ধই সমাধান নয়। এটি করলে বিলিয়ন ডলার হারাবে দেশ। যারা অবহেলা করেছে, তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান তাঁরা।

সাভারের ট্যানারিপল্লি প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রকল্প অব্যবস্থাপনার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০০৩ সালে নেওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ ১২ দফা বাড়িয়ে ১৭৫ কোটি টাকার পরিবর্তে প্রকল্পের খরচ দেখানো হয় ১০১৫ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল, বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো এবং পরিবেশবান্ধব চামড়াপল্লি গড়ে তোলা, যেন বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চামড়াশিল্প আরও গতি পায়। অথচ ঘটেছে উল্টোটা। একসময়ের টলমলে স্বচ্ছ পানির ধলেশ্বরী নদী এখন এই ট্যানারির দূষণে বিষাক্তে পরিপূর্ণ। বাসযোগ্যতা হারিয়েছে আশপাশের এলাকা। সিইটিপির বিভিন্ন কম্পোনেন্টের কাজ সমাপ্ত হওয়ার আগ থেকে এখানে ১৩০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদন শুরু করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, এর দায়ভার শিল্প মন্ত্রণালয়কে নিতে হবে। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতা আছে এখানে। চামড়াশিল্পের সঙ্গে অনেক বিশেষায়িত বিষয় থাকে, সেসব ব্যাপারে বিসিকের কোনো ধারণাই নেই। রাষ্ট্রের এত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব তাদের মতো দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া ঠিক হয়নি। কেননা, তাদের সেই দক্ষতাই নেই। ট্যানারিপল্লি আজ বন্ধের কাছাকাছি এবং ধলেশ্বরী নদী কেন চরম দূষণের শিকার, তা খতিয়ে দেখতে পরিবেশ গবেষকদের যুক্ত করে তদন্ত কমিটি করার দাবি জানান তাঁরা। আজকের পত্রিকার কাছে এ নিয়ে গবেষকেরা তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশি-বিদেশি নানা মহল বাংলাদেশের চামড়াশিল্প ধ্বংসের পেছনে লিপ্ত। এমনিতেই বিশ্ববাজারে চামড়াশিল্পে পিছিয়ে পড়েছে দেশ। তা ছাড়া, এই খাতের সঙ্গে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। কাজেই এটি বন্ধ করা ঠিক হবে না।

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমেদ কামরুজ্জামান মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, এমন হবে পরিবেশবাদীরা তা আগেই জানতেন। ট্যানারিপল্লি নিয়ে ছেলেখেলা শুরু হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ও বিজ্ঞানসম্মত কোনো পরিকল্পনা নেওয়া হয়নি। অথচ হাজারীবাগ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সময় পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ ছিল এই খাতকে উন্নত করার। এখনো সব কারাখানা চালু হয়নি, তার আগেই ধারণক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও দূষণ বিশেষজ্ঞ আব্দুস সালাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়। দূষণ কমানো জরুরি। আইন অমান্যকারীদের বিধি মোতাবেক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দরকার। বাংলাদেশে বিশ্বমানের গার্মেন্টস আছে। বিশ্বমানের চামড়ার কারখানাও করা সম্ভব।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর...

ফেসবুকে আমরা

English version»