1. admin@sotejbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কাতারের মসজিদগুলিতে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
সংবাদ শিরোনাম:
কাতারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কোভিক-১৯ ভ্যাকসিনেশন সেন্টার কাতারের শুরা কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া অব্যহৃত রেখেছে কাতার সরকার সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না সারাদেশে নোকিয়া মার্কেট এক্সপ্রেসে’র এর কর্মীরা। অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারী ও রিক্সা উদ্ধার কাতারে QID সংক্রান্ত অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সুখবর ঘোষনা দিল কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারে গতবছরের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে চলেছে পর্যটকের সংখ্যা ফিফা ফুটবল কোর্টের বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য রায়পুরায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ পালিত

 177 total views,  113 views today

সাভারে অধ্যক্ষ মিন্টুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়

সাভার প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭ বার পঠিত

সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিন্টু চন্দ্র বর্মণকে
স্কুলের নিয়ন্ত্রণ, মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং টাকার ভাগ নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যা করা হয়। স্কুলের একটি কক্ষে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।

মিন্টুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা হত্যা মামলায় দুই আসামি একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক রবিউল ইসলাম ও তাঁর ভাগনে আবদুর রহিম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য দিয়েছেন বলে আদালত সূত্রে জানা যায়। অপর আসামি শিক্ষক মোতালেব হোসেনের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিলন ফকির এই তিন আসামিকে আদালতে হাজির করেন।

আদালত সূত্র জানায়, তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান সিকদার আবদুর রহিমের এবং আরেক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব হাসান রবিউলের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। আর মোতালেব হোসেনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আশরাফুজ্জামান।

আদালত সূত্র জানায়, জবানবন্দিতে দুই আসামি বলেছেন, ২০১৯ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠায় মিন্টুর সঙ্গে রবিউল ও মোতালেব অংশীদার। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পুরো স্কুলের নিয়ন্ত্রণ ছিল মিন্টুর হাতে। স্কুলের নিয়ন্ত্রণ, মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং টাকার ভাগ নিয়ে বিরোধের জের ধরে মিন্টুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এই দুজন। ১৩ জুন রাতে স্কুলের ১০৬ নম্বর কক্ষে মিন্টুকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন রবিউল ও তাঁর ভাগনে। পরে লাশ ছয় টুকরা করে পাঁচ টুকরা স্কুলের আঙিনায় পুঁতে রাখা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনার নন্দাপাড়ার একটি ডোবায় ফেলে দেন। হত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও সরাসরি অংশ নেননি মোতালেব।

মিন্টু চন্দ্র বর্মণ সাত বছর ধরে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বসবাস করতেন। তিনি সেখানকার আমিন মডেল টাউন স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করতেন। দুই বছর আগে (২০১৯ সাল) মিন্টু চন্দ্র বর্মণসহ চারজন মিলে জামগড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সাভার রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়েন। অন্য তিন সহপ্রতিষ্ঠাতা হলেন রবিউল ইসলাম, মোতালেব ও শামসুজ্জামান। মিন্টু চন্দ্র বর্মণ ছিলেন এর অধ্যক্ষ। গত ১৩ জুলাই থেকে তাঁর সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর...

ফেসবুকে আমরা

English version»