1. admin@sotejbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ:
কাতারের মসজিদগুলিতে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
সংবাদ শিরোনাম:
কাতারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কোভিক-১৯ ভ্যাকসিনেশন সেন্টার কাতারের শুরা কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া অব্যহৃত রেখেছে কাতার সরকার সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না সারাদেশে নোকিয়া মার্কেট এক্সপ্রেসে’র এর কর্মীরা। অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারী ও রিক্সা উদ্ধার কাতারে QID সংক্রান্ত অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সুখবর ঘোষনা দিল কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারে গতবছরের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে চলেছে পর্যটকের সংখ্যা ফিফা ফুটবল কোর্টের বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য রায়পুরায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ পালিত

 255 total views,  191 views today

করোনা পরীক্ষার অনিয়ম ; সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ২১০ বার পঠিত

করোনা পরীক্ষার অনিয়ম চলছে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ । যারা পুরো পরিবার কোভিড-১৯ পজিটিভ। তারা বেশ কয়েকবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স -এ কোভিড টেস্ট এর জন্যে যায়  এবং তারই কিছু অভিজ্ঞতা আপনাদের সাথে শেয়ার করছেন ।

ছবি : কোভিক ১৯ টেস্ট কীট 

কোভিড টেস্ট করতে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই একজন ডাক্তার রোগী কে দেখেন। তারপর উনি কোভিড টেস্ট করার অনুমতি দিলে সাভার কলেজে গিয়ে ১০০ টাকা জমা দিয়ে কোভিড টেস্ট এর যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করতে হয়।

অদ্ভুত নিয়ম ১ :
এই পুরো প্রক্রিয়ায় প্রথম ধাক্কা টা খাবেন যখন আপনাকে ডাক্তার দেখবেন। ধরুন, আপনার মধ্যে করোনা হবার সব লক্ষণ আছে। জ্বর , ঠান্ডা, মাথা ব্যাথা, স্বাদ না পাওয়া বা গন্ধ না পাওয়া ইত্যাদি। আপনি ডাক্তারের কাছে গিয়ে সব খুলে বললেন। এবং আপনার জ্বর থাকায় বাসা থেকে প্যারাসিটামল খেয়ে গিয়েছেন। বিধায় আপনার শরীরের তাপমাত্রা কম।
ডাক্তার আপনাকে বলবে, কোভিড টেস্টের আগে নাপা কেন খেয়েছেন। আপনার জ্বর নাই। তাই কোভিড টেস্ট হবে না। তাদের ডেস্কের সামনে লাল কালিতে প্রিন্ট করে লেখাও আছে, ” সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী জ্বর না থাকলে কোভিড টেস্ট হয়না “। এমন কোন নির্দেশনা আগে আমি জানতাম না, কোথাও দেখি ও নাই । আরো এক কাঠি সরেষ মজা পাবেন যখন দেখবেন, আপনার Prescription এ কোভিড টেস্ট করার জন্যে Advice করা আছে। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে করার অনুমতি নেই। কারণ আপনার জ্বর নেই। তাহলে কই থেকে টেস্ট করবেন? Private Hospital, যেখানে আপনাকে গুনতে হবে ৩০০০ টাকা!!!

অদ্ভুত নিয়ম ২ :

এবার আপনি যেকোনো ভাবেই টেস্ট করিয়ে জানতে পারলেন আপনার কোভিড-১৯ পজিটিভ। অফিস থেকে ছুটি নিয়ে ১ মাস বাসায় রেস্ট করলেন। ১ মাস পর গেলেন 2nd Test করাতে। প্রধানত কারন Covid-19 negetive report ছাড়া আপনাকে অফিস করতে দেওয়া হবে না। যথারীতি ডাক্তারের কাছে গেলেন। তখন আপনাকে বলা হবে, “আমাদের এখানে 2nd Test করা হয় না !!!! ”
আপনি প্রশ্ন করলেন, তাহলে কি করবো আমরা? অফিস তো মানবে না।
তাদের উত্তর, বাইরে থেকে করান, আমাদের এখানে 2nd Test এর নিয়ম নাই। ”
কি? মজা পাচ্ছেন? আসেন আরো মজার নিয়ম শোনাই।

অদ্ভুত নিয়ম ৩ :

ধরুন উপর মহলে তদবির করে, অথবা স্বাভাবিক নিয়মে আপনি টেস্ট করার অনুমতি পেলেন, চলে গেলেন সাভার কলেজে টেস্ট করাতে। কিন্তু ওখান কার বেচারা গুলো সকাল থেকে ১৫-২০ জনের টেস্ট স্যাম্পল নিতে নিতে টায়ার্ড। আপনি ও এই দিকে ভিড় ঢেলে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে দুপুর করে ফেলেছেন । ব্যাস, হয়ে গেলো। আজকে হবে না। আপনাকে আগামীকাল আসতে হবে। এতো কিছুর পর আজ আর আপনার টেস্ট স্যাম্পল নেয়া হবে না।

অনেক ভেবেছি, জ্বর না থাকলে টেস্ট না করানো, 2nd Test এর অনুমতি না থাকা এর কারন কি হতে পারে?
১. টেস্টিং কিট স্বল্পতা।
২. অযথা টেস্টিং কিট যাতে নস্ট না হয় সেই দিকে
খেয়াল রাখা ( মানে কোন পাবলিক যদি হুদাই টেস্ট
করতে যায় আরকি, সেই দিকে খেয়াল রাখা)

ছবি: কোভিক ১৯ ভাইরাস

১. যদি টেস্টিং কিট স্বল্পতাই থাকে, তাহলে তো ভয়াবহ ব্যাপার, করোনার এই দেড় বছর পর যদি কিট স্বল্পতা হয়, এটা আমাদের জন্যে লজ্জার ব্যাপার ও বটে।

২. কিট নস্ট হওয়ার ব্যাপারে খেয়াল রাখলে আমার মাথায় আসে না, prescription এ ডাক্তার কিভাবে কোভিড টেস্ট Advice করে? আর 2nd test ই বা কিভাবে কিট নস্ট করে?

আমার পাশের একজন সেদিন বলেই ফেললো, সব Private Hospital এর সাথে চুক্তি। এখান থেকেই সব করে ফেললে Private Hospital এ কে টেস্ট করাবে!

আমিও এমন পোস্ট লিখতাম না। বাবাকে নিয়ে সেদিন টেস্ট করাতে গিয়ে দেখলাম এক বৃদ্ধা ডাক্তারের কাছে কাঁদছে। অন্য এক হাসপাতাল থেকে তার ছেলের অপারেশন করার আগে করোনা টেস্ট করাতে বলেছে, করোনা টেস্ট ছাড়া অপারেশন হবে না। বেসরকারি তে টেস্ট করানোর এতো টাকা তার কাছে নাই। তাকে যেন একটু দয়া করা হয়। কিন্তু তাকে সেদিন দয়া করা হয়নি, উল্টো বলা হয়েছে, ” যে হাসপাতাল টেস্ট করতে বলেছে তাদের কাছে যান”!!!

এখানে ডাক্তার কে দোষ দিচ্ছি না । তাকে যেমন নিয়ম জানানো হচ্ছে, তিনি সেরকমভাবেই পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সমস্যা টা আসলে যারা এই অদ্ভুত নিয়মের স্রষ্টা, তাদের।

এখানে প্রমাণ হিসেবে আমি কোন ছবি সংযুক্ত করতে পারিনি। আসলে আমি ও পুরো পরিবার নিয়ে এতো দৌড়াদৌড়ি তে ছিলাম, ছবি তোলার সুযোগ পাইনি। তবে আপনারা চাইলেই নিজে গিয়ে এই অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আসতে পারেন।
যদি কোন সাংবাদিক ভাই দেখে থাকেন আমার এই পোস্ট টি, তদন্ত করে একটা রিপোর্ট করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

আমি জানি, নিয়ম এখনো বদলায়নি, এখনো অনেক বৃদ্ধা মা তার ছেলের অপারেশনের আগে করোনা টেস্ট দিয়েছে বিধায় কাঁদছে………

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর...

ফেসবুকে আমরা

English version»