1. admin@sotejbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কাতারের মসজিদগুলিতে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
সংবাদ শিরোনাম:
কাতারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কোভিক-১৯ ভ্যাকসিনেশন সেন্টার কাতারের শুরা কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া অব্যহৃত রেখেছে কাতার সরকার সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না সারাদেশে নোকিয়া মার্কেট এক্সপ্রেসে’র এর কর্মীরা। অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারী ও রিক্সা উদ্ধার কাতারে QID সংক্রান্ত অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সুখবর ঘোষনা দিল কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারে গতবছরের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে চলেছে পর্যটকের সংখ্যা ফিফা ফুটবল কোর্টের বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য রায়পুরায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ পালিত

 142 total views,  78 views today

ওজন মেপে কোরবানীর গরু বা ছাগল কেনা জায়েজ কি না?

মুফতি মুহাম্মদ ইমদাদুল্লাহ
  • আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৪৬ বার পঠিত

রাজধানী ঢাকার কোরবানির হাটগুলোতে ইদানীং জীবিত পশুর ওজন মাপার জন্য বসানো হয়েছে ওজন মাপার ডিজিটাল স্কেল। এসব স্কেলের এক পাশ দিয়ে গরু বা ছাগল প্রবেশ করিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রেখে আরেক পাশ দিয়ে বের করা হয়। এতে স্কেলে ওই পশুটির ওজন পরিমাপ হয়ে যায়।

পশু কেনাবেচায় ক্রেতা-বিক্রেতার মূল্য নির্ধারণের সন্দেহ দূর করার জন্যই এ স্কেল বসানো হয়েছে। ছোট সাইজের গরু কেজিপ্রতি ৩০০-৩২০ টাকা দরে আর বড় ও সুন্দর আকৃতির গরু ৩৫০-৪০০ টাকা দরে বিক্রির চুক্তি হওয়ার পর ওজন মাপার স্কেলে উঠানো হয় এবং এতে সর্বমোট কেজির সংখ্যা ও তার দাম বেরিয়ে আসে। তাই যারা গরু বিক্রি করেন তারাও বিক্রির সময় গরুর ওজন দেখেন, আর যারা কেনেন তারাও ওজন দেখে নেন।

এখন প্রশ্ন হলো— শরিয়তের দৃষ্টিতে এভাবে জীবন্ত গরু-ছাগল ওজন করে বিক্রি করা বৈধ হবে কিনা?

ফিকহে হানাফির পূর্ববর্তী কিতাবসমূহে যদিও জীবন্ত পশু ওজন করে বিক্রিকে নাজায়েজ বলা হয়েছে; কিন্তু পরবর্তী সময় হাঁস-মুরগি ওজন করে বিক্রির প্রচলনের কারণে মুফতিয়ানে কেরাম একে জায়েজ বলে ফতোয়া দিয়েছেন।

আর বর্তমানে জীবন্ত গরু-ছাগলও ওজন করে বিক্রির প্রচলন হয়ে গেছে, বিধায় তাও জায়েজ হবে। উপরন্তু এ পদ্ধতিতে ক্রেতা-বিক্রেতার ধোঁকাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

এ ছাড়া আলোচ্য পদ্ধতিটি পশুর মূল্য নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া মাত্র। আগেকার কিতাবসমূহে ওই পদ্ধতিতে পশু বিক্রি নাজায়েজ বলার একটি কারণ এও ছিল যে, চুক্তির সময় পশুর নিশ্চিত চূড়ান্ত মূল্য কারওই জানা থাকে না।

কিন্তু চুক্তির মজলিসেই যখন স্কেল দ্বারা মেপে তার সঠিক পরিমাপ বের করা হয়, তখন তার পুরো মূল্যও উভয়পক্ষের জানা হয়ে যায়। আর এতে তাদের মাঝে কোনোরূপ ঝগড়া সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা বাকি থাকে না।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর...

ফেসবুকে আমরা

English version»