1. admin@sotejbarta24.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
কাতারের মসজিদগুলিতে আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার
সংবাদ শিরোনাম:
কাতারে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে কোভিক-১৯ ভ্যাকসিনেশন সেন্টার কাতারের শুরা কাউন্সিল নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সরাসরি নিয়োগ ফিলিস্তিনিদের সহায়তায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেওয়া অব্যহৃত রেখেছে কাতার সরকার সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না সারাদেশে নোকিয়া মার্কেট এক্সপ্রেসে’র এর কর্মীরা। অলিপুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছিনতাইকারী ও রিক্সা উদ্ধার কাতারে QID সংক্রান্ত অবৈধ প্রবাসীদের বৈধ হওয়ার বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার সুখবর ঘোষনা দিল কাতার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাতারে গতবছরের তুলনায় বহুগুণে বেড়ে চলেছে পর্যটকের সংখ্যা ফিফা ফুটবল কোর্টের বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির সদস্য রায়পুরায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবস ২০২১ পালিত

 108 total views,  44 views today

নুরুল আলম আতিককে ভীষণ ভয় পান ভাবনা

বিনোদন প্রতিবেদক
  • আপডেট সময়: রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৬৪ বার পঠিত

নাটকের মানুষ আশনা হাবিব ভাবনার প্রথম চলচ্চিত্র ‘ভয়ংকর সুন্দর’। অনিমেষ আইচের এই ছবির পর পার হয়ে গেছে তিনটা বছর। এই সময়ে বেশ কিছু টেলিভিশন নাটক করলেও আর কোনো সিনেমায় তাঁকে দেখা যায়নি। কেন? নতুন কোনো সিনেমার প্রস্তাব কি তাঁর কাছে আসেনি? এসেছে, একাধিক চলচ্চিত্রের প্রস্তাবই এসেছে, তিনিই রাজি হননি। কারণ, মনের মতো গল্প পাননি। ‘ভালো গল্প ও ভালো নির্মাতার জন্য অপেক্ষা করেছি এত দিন।’ নুরুল আলম আতিকের ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ তাঁকে সেই রকম গল্প ও চরিত্র দিতে পেরেছে।

‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমায় আশনা হাবিব ভাবনা ও নুরুল আলম আতিক
‘লাল মোরগের ঝুঁটি’ সিনেমায় আশনা হাবিব ভাবনা ও নুরুল আলম
ফেসবুক মেসেঞ্জারে পাঠানো কয়েকটি স্থিরচিত্রে সেই চরিত্রের কিছুটা আভাস পাওয়া গেল, বাকিটা ভাবনাই জানালেন। তাঁর চরিত্রটি সাঁওতাল, নাম পদ্ম। স্বভাবতই তাঁকে সাঁওতালি ভাষায় কথা বলতে হয়েছে। ভাবনা জানালেন, ‘সাঁওতালি ভাষায় কথা বলাটা আমার জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। তবে দর্শকের বোঝার সুবিধার্থে পুরোটায় সাঁওতালি ভাষা ছিল না।’ চরিত্রটা হয়ে উঠতেও তাঁকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। কী রকম কষ্ট? ভাবনা বললেন, ‘ছবিতে একটা ফাইটার মোরগ আমার সহশিল্পী। মোরগটার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়েছে। ২ মাস মোরগটি আমার বাসায় ছিল। শুটিং শুরু হতে দেরি হওয়ায় মোরগটা মারা যায়। পরে আরেকটা মোরগ আনা হয়েছে। বঁটি দিয়ে বাঁশ কাটা শিখছি। অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে কাজটা শেষ করতে পেরেছি। দেহভাষা থেকে শুরু করে সবকিছুতে পরিবর্তন আনতে হয়েছে।’
pic
লোকেশনের কারণেও কষ্ট হয়েছে। ভাবনা বলেন, ‘অন্য নাটক-সিনেমার মতো ছিল না এই সিনেমার শুটিং লোকেশন। স্পটে কোনো মেকআপ রুম ছিল না। সহশিল্পী সব মেয়ে একটা রুমে থাকতাম। তবে একটা অন্য রকম ঘোর ছিল। ভালো কাজের জন্য সব সময়ই আমি কষ্ট করতে রাজি।’
আতিকের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে ভাবনার আরেকটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একটা চরিত্রের শুরুর দিকে দৃশ্য শুটিং করতে করতে চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করা যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এমনটাই হয়ে থাকে। এতে আমার অনেক সুবিধাও হয়। কিন্তু ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’তে ঘটেছে একদম উল্টো। শেষ দৃশ্যটাই প্রথমে শুটিং হয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও খবর...

ফেসবুকে আমরা

English version»